Menu

বেয়ার মেটাল

পুরো একটা মেশিন। ভাগের অংশ নয়।

ক্লাউড সার্ভার আপনাকে শেয়ার্ড হার্ডওয়্যারে বরাদ্দ রিসোর্স দেয়। বেয়ার মেটাল দেয় হার্ডওয়্যারটাই। আপনার অপারেটিং সিস্টেম আর প্রসেসরের মাঝখানে কোনো hypervisor নেই, একই বোর্ডে অন্য কোনো গ্রাহক নেই, আর ডিস্কগুলো নেটওয়ার্কের ওপার থেকে নয় — মেশিনের সাথেই লাগানো।

ডেডিকেটেড
ফিজিক্যাল সার্ভারটাই আপনার
Hypervisor নেই
আপনার OS সরাসরি হার্ডওয়্যারে
লোকাল NVMe
ডিস্ক বোর্ডে, তারের ওপারে নয়
ঢাকা
একই ডেটা সেন্টার, একই BDIX

জিনিসটা কী

ভার্চুয়াল সার্ভারে একটা hypervisor একটা ফিজিক্যাল মেশিনকে কয়েকজন গ্রাহকের মধ্যে ভাগ করে দেয়। আপনার ভাগটা বরাদ্দ, কেউ কেড়ে নিতে পারে না — কিন্তু hypervisor নিজেই কিছু শতাংশ খরচ করে, আর ডিস্ক ও নেটওয়ার্ক কার্ড শেয়ার্ড হার্ডওয়্যার, যেগুলো গ্রাহকদের মধ্যে পালা করে চলে। বেশিরভাগ কাজে এটা চোখেই পড়ে না, আর এড়ানোর জন্য বাড়তি টাকা দেওয়ার মতোও নয়।

কিছু কাজে পড়ে। ভারী random read করা ডেটাবেস, ফিজিক্যাল কোর হিসেবে লাইসেন্স করা সফটওয়্যার, নিজের virtualisation host, কিংবা এমন কিছু যেখানে আজ যে benchmark পাচ্ছেন ছয় মাস পরেও ঠিক সেটাই লাগবে — এগুলোর মেশিনটাই দরকার।

এটা আপনার জন্য যা করে

বেয়ার মেটাল আপনার অবকাঠামোর আচরণে যে ছয়টা জিনিস বদলে দেয়।

প্রতিটা সাইকেল আপনার

Hypervisor-এর বাড়তি খরচ নেই, বোর্ডে অন্য কোনো গ্রাহক নেই। প্রসেসর যা পারে, আপনার সফটওয়্যার তার পুরোটাই পায়।

পারফরম্যান্স আগেই জানা

প্রথম দিনে যে সংখ্যাটা পাবেন, তিনশোতম দিনেও সেটাই। আপনার বিপরীতে আর কিছু চলছে না।

লাইসেন্স আসল কোর গোনে

SQL Server, Oracle বা কিছু ERP সফটওয়্যার per-socket বা per-core লাইসেন্স করা — সেগুলোর দাম ফিজিক্যাল হার্ডওয়্যার ধরে। বেয়ার মেটালে কীসের উপর চলছেন তা নিয়ে কোনো তর্ক থাকে না।

ডিস্ক বোর্ডের সাথেই

NVMe নেটওয়ার্ক পেরিয়ে নয়, মেশিনের সাথেই লাগানো। IO-ভারী ডেটাবেসের জন্য এই পার্থক্যটাই এখানে আসার পুরো কারণ।

হার্ডওয়্যার আপনি ঠিক করেন

কোন প্রজন্মের প্রসেসর, কত মেমোরি, কয়টা ডিস্ক আর কী বিন্যাসে। কাজটা কী বলুন, আমরা একসাথে বসে সাইজ করব।

একই প্যানেল, একই বিল

আপনার ক্লাউড সার্ভার, ডোমেইন আর ইমেইলের সাথে একই অ্যাকাউন্টে থাকে, আর একই VAT ইনভয়েসে আসে।

কখন বেয়ার মেটালই সঠিক উত্তর
যে ডেটাবেসের working set আর মেমোরিতে আঁটছে না আর ডিস্কের উপর চাপ দিচ্ছে; ফিজিক্যাল কোর হিসেবে লাইসেন্স করা সফটওয়্যার; নিজের hypervisor চালানো; অথবা এমন কমপ্লায়েন্স শর্ত যেখানে সরাসরি single-tenant হার্ডওয়্যার লেখা আছে।
কখন নয়
প্রায় বাকি সবকিছুতেই। ব্যস্ত একটা ওয়েবসাইট, অ্যাপ্লিকেশন সার্ভার, queue worker — এগুলো এমন ক্লাউড সার্ভারে ভালো চলে যেটা এক মিনিটে বড় করা যায়, ফিজিক্যাল মেশিনে নয় যেটা যায় না। বেয়ার মেটাল কেনে নিশ্চয়তা, আর তার দাম দেয় বদলাতে সময় লাগিয়ে।

খরচ কত

বেয়ার মেটালের দাম মেশিন ধরে হয়, কারণ মেশিনটা তালিকা থেকে বাছা নয় — আপনার দরকার অনুযায়ী বানানো। কাজটা কী জানান, আমরা স্পেসিফিকেশন আর মাসিক খরচ দুটোই দিয়ে দেব।

যাচাই না করা সংখ্যা ছাপানোর চেয়ে আপনাকে কোট দেওয়াই ভালো মনে করি। দামের পাতায় যা আছে তার প্রতিটাই অর্ডার ফর্ম সত্যিই যা নেয় — এখানেও সেটা সত্যি হওয়ার দিনই এটা সেখানে যোগ হবে।

প্রশ্ন

ক্লাউড সার্ভারের সাথে পার্থক্য কোথায়?

ক্লাউড সার্ভার হলো একটা ফিজিক্যাল মেশিনের বরাদ্দ অংশ — মিনিটে তৈরি হয়, মিনিটে আকার বদলায়। বেয়ার মেটাল হলো ফিজিক্যাল মেশিনটাই — হাতে সেটআপ হয়, আর হার্ডওয়্যার না বদলালে যেমন আছে তেমনই থাকে। আপনি নমনীয়তা দিয়ে শেষ কয়েক শতাংশ পারফরম্যান্স আর একচেটিয়া দখল কিনছেন।

পেতে কত সময় লাগে?

ক্লাউড সার্ভারের চেয়ে বেশি। মেশিন বরাদ্দ করতে হয়, বানাতে হয়, র‍্যাকে বসাতে হয় — তাই সেকেন্ড নয়, কয়েক দিন ধরে পরিকল্পনা করুন। কোট দেওয়ার সময় আসল তারিখটাই বলব।

Root পাব তো?

Root-এরও বেশি — মেশিনটাই আপনার। যেকোনো অপারেটিং সিস্টেম, যেকোনো hypervisor, যেকোনো স্ট্যাক বসান।

ক্লাউড সার্ভার দিয়ে শুরু করে পরে আসা যায়?

যায়, আর বেশিরভাগের জন্য এই ক্রমটাই ঠিক। ক্লাউড সার্ভার দিয়ে শুরু করুন, আসলে কী দরকার সেটা জানুন, আর সংখ্যাগুলো যখন বলবে হার্ডওয়্যারই বাধা — তখন আসুন।

এখানে উত্তর নেই এমন কিছু? জিজ্ঞেস করুন — হয় ছোট একটা উত্তর, নয়তো একটা ফোন কল, দুটোতেই অসুবিধা নেই।

ক্লাউড রেঞ্জের বাকিটা

এগুলো একসাথে ব্যবহারের জন্যই বানানো — প্রাইভেট নেটওয়ার্কের ভেতরে একটা সার্ভার, সামনে firewall, ডেটা ভলিউমে আর ইতিহাস ব্যাকআপে।

এটা আপনার দরকার কি না নিশ্চিত নন?

কী চালাচ্ছেন আর তাতে কী সমস্যা হচ্ছে বলুন। এগুলোর কোনটা সত্যিই কাজে আসবে আমরা বলে দেব — উত্তরটা যদি "কোনোটাই নয়" হয়, সেটাও বলব।